ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ঘাটতি ১,৯০০ মেগাওয়াটের বেশি দেশে বাড়ছে ‘কুশ’ মাদকের বিস্তার, থাইল্যান্ডকেন্দ্রিক ত্রিদেশীয় চক্রের সন্ধান জয়পুরহাটে অনলাইন জুয়ার মাস্টার এজেন্ট গ্রেফতার, জব্দ ১৯ স্মার্টফোন ও ১ হাজার সিম কুমিল্লায় ৬ ভারতীয় মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার ৯ চুয়াডাঙ্গায় দুই পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, আদালতে ২ বছরের কারাদণ্ড সৌদি থেকে দেশে ফেরার প্রস্তুতি, কেনাকাটা শেষ করেই কুমিল্লার প্রবাসীর মৃত্যু বিয়ানীবাজারে নৌকাবাইচ বন্ধের প্রচারণা, ‘তৌহিদী জনতা’ কারা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন ফিফা অনুমোদন দিল, আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ চিকিৎসায় অবহেলার শিকার রোগীদের পাশে থাকবে ‘স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আন্দোলন’ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ক্ষেত্র আরও বাড়াতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

‘বাল্যবিয়ে রুখতে এবার সমন্বিত অভিযান’-চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর বার্তা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিরোধ সম্পর্কিত সচেতনতামূলক সভায় বক্তব্য রাখছেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় উদ্বেগজনক হারে বাল্যবিয়ে সংঘটিত হওয়ায় তা প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭-এর কঠোর বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রতিরোধ কমিটিকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ‘বাল্যবিয়ে নিরোধ সম্পর্কিত সচেতনতামূলক সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি, যা শুধু একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নয়, পুরো সমাজের উন্নয়নকেও বাধাগ্রস্ত করে। তিনি বলেন, “বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষক, ইমাম, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের শৈথিল্যের সুযোগ নেই। এ আইন কার্যকর করতে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন  জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন ।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহিদা আখতার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন, দেবীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল আলীমসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে-সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব।বাল্যবিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং আইন লঙ্ঘনের শাস্তি।মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান।বাল্যবিয়ে অংশগ্রহণকারী পাত্র-পাত্রীর পাশাপাশি তাদের অভিভাবক, সহযোগী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা।বাল্যবিয়ে সম্পাদন বা পরিচালনা করলে কাজী বা বিবাহ নিবন্ধকের দায় ও শাস্তি।বয়স প্রমাণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের বাধ্যবাধকতা।বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে উদ্যোগ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষার বিষয়।

সভায় জানানো হয়, কোনো বিবাহ নিবন্ধক (কাজী) বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর এবং সর্বনিম্ন ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। একই সঙ্গে তার লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে।

বক্তারা বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া বাল্যবিয়ে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। অনেক ক্ষেত্রে দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা এবং শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার কারণে বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটে। তাই বিদ্যালয়, মসজিদ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের চলমান অভিযানের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ, দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী শিশুদের সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই বাল্যবিয়েমুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ঘাটতি ১,৯০০ মেগাওয়াটের বেশি

‘বাল্যবিয়ে রুখতে এবার সমন্বিত অভিযান’-চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রশাসনের কঠোর বার্তা

প্রকাশের সময়ঃ ০৩:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় উদ্বেগজনক হারে বাল্যবিয়ে সংঘটিত হওয়ায় তা প্রতিরোধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭-এর কঠোর বাস্তবায়ন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইউনিয়ন থেকে জেলা পর্যায় পর্যন্ত প্রতিরোধ কমিটিকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে ‘বাল্যবিয়ে নিরোধ সম্পর্কিত সচেতনতামূলক সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী বলেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি, যা শুধু একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নয়, পুরো সমাজের উন্নয়নকেও বাধাগ্রস্ত করে। তিনি বলেন, “বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পরিবার, শিক্ষক, ইমাম, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন-২০১৭ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের শৈথিল্যের সুযোগ নেই। এ আইন কার্যকর করতে ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফ আফজাল রাজন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন  জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দীন ।

উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তফা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহিদা আখতার, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মতিন, পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন, দেবীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার দাস, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল আলীমসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

সভায় বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭-এর বিভিন্ন ধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। আলোচনায় উঠে আসে-সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব।বাল্যবিয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং আইন লঙ্ঘনের শাস্তি।মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান।বাল্যবিয়ে অংশগ্রহণকারী পাত্র-পাত্রীর পাশাপাশি তাদের অভিভাবক, সহযোগী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা।বাল্যবিয়ে সম্পাদন বা পরিচালনা করলে কাজী বা বিবাহ নিবন্ধকের দায় ও শাস্তি।বয়স প্রমাণে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের বাধ্যবাধকতা।বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে উদ্যোগ গ্রহণকারী ব্যক্তিদের আইনি সুরক্ষার বিষয়।

সভায় জানানো হয়, কোনো বিবাহ নিবন্ধক (কাজী) বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর এবং সর্বনিম্ন ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অতিরিক্ত সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। একই সঙ্গে তার লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিল করা হতে পারে।

বক্তারা বলেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া বাল্যবিয়ে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। অনেক ক্ষেত্রে দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার, নিরাপত্তাহীনতা এবং শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার কারণে বাল্যবিয়ের ঘটনা ঘটে। তাই বিদ্যালয়, মসজিদ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের চলমান অভিযানের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ, দ্রুত অভিযোগ গ্রহণ, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগী শিশুদের সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সভা শেষে উপস্থিত সবাই বাল্যবিয়েমুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়ে তুলতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।