ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
দেশের সব বেসরকারি মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কনের নির্দেশ কারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য চালু হলো নতুন মেডিকেল সেন্টার মাগুরায় নিজ বাসা থেকে মোটর শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার ৭ আগস্ট পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস, উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা চাঁপাইনবাবগঞ্জে লিগ্যাল এইডের সহায়তায় আড়াই মাস পর ৭ কারাবন্দীর জামিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেল স্টেশন (কলাপট্টি) সড়কের নির্মাণকাজ শুরু জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গোমস্তাপুরে বিএনপির প্রস্তুতি জোরদার, কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন ময়মনসিংহে ডিবির অভিযানে স্কুটিসহ ৫০০পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৪

ময়মনসিংহের আলোচিত সোহেল সরকার হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ

ময়মনসিংহের বহুল আলোচিত সোহেল সরকার (২৫) হত্যা মামলার মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, কোদাল এবং ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত পোশাক ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই সকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহেল সরকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরবর্তীতে ২২ জুলাই বিকেলে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অম্বিকাগঞ্জ মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন একটি এলাকা থেকে মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে আশপাশে চাপা দেওয়া অবস্থায় বাকি অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি সোহেল সরকারের বলে শনাক্ত করেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যা পেনাল কোডের ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও কোতোয়ালী মডেল থানার ওসির নির্দেশনায় গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত দল প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের একপর্যায়ে ২৫ জুলাই গভীর রাতে ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া এলাকা থেকে সন্দেহভাজন মো. সেলিমকে (৩০) আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া মো. সেলিম জানান, নিহত সোহেল সরকারের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষোভ থেকে সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে এনে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব বেসরকারি মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটি বাতিল

ময়মনসিংহে সোহেল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ৪

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:৫৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ময়মনসিংহের বহুল আলোচিত সোহেল সরকার (২৫) হত্যা মামলার মূলহোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, কোদাল এবং ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত পোশাক ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১৬ জুলাই সকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ ইউনিয়নের মীরকান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহেল সরকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরবর্তীতে ২২ জুলাই বিকেলে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অম্বিকাগঞ্জ মহাবিদ্যালয় সংলগ্ন একটি এলাকা থেকে মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয় এবং পরবর্তীতে আশপাশে চাপা দেওয়া অবস্থায় বাকি অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি সোহেল সরকারের বলে শনাক্ত করেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন, যা পেনাল কোডের ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও কোতোয়ালী মডেল থানার ওসির নির্দেশনায় গঠিত একটি বিশেষ তদন্ত দল প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের একপর্যায়ে ২৫ জুলাই গভীর রাতে ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া এলাকা থেকে সন্দেহভাজন মো. সেলিমকে (৩০) আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার হওয়া মো. সেলিম জানান, নিহত সোহেল সরকারের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ক্ষোভ থেকে সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে এনে হত্যা করা হয় এবং পরবর্তীতে মরদেহ গুম করার চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।