ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

রাশিয়ায় হামলায় ব্রিটিশ ড্রোন ব্যবহার করল ইউক্রেন

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২৩৯ Time View

রাশিয়ার ভূখণ্ডে গভীর হামলায় ব্রিটিশ নির্মিত ড্রোন ব্যবহারের দাবি করেছে ইউক্রেন

রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে দূরপাল্লার হামলায় প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। ব্রিটিশ দুই প্রতিষ্ঠানের তৈরি এসব ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার বিভিন্ন শিল্প ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলার জন্য এসব ড্রোন ব্যবহার করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল শোধনাগার, সরবরাহ ও লজিস্টিক অবকাঠামো এবং রাশিয়ার বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামও রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস জানিয়েছে, ব্রিটিশ নির্মিত ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এসব ড্রোনের মধ্যে বিএই সিস্টেমসের তৈরি একটি মডেলের নামও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দূরপাল্লার এসব ড্রোন তুলনামূলক কম খরচে বড় পরিসরে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় ইউক্রেনের হামলা সক্ষমতায় এর প্রভাব পড়ছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

এদিকে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেড়েছে। তেল শোধনাগার ও শিল্প স্থাপনার পাশাপাশি ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামও একাধিকবার হামলার লক্ষ্য হয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এসব হামলার সময় বিপুলসংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে।

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে এর আগে যুক্তরাজ্যের তৈরি স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্রও ইউক্রেন ব্যবহার করেছে। তবে ব্রিটিশ নির্মিত ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে গভীর হামলার বিষয়টি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করছে।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউক্রেনের ড্রোন অভিযানে রাশিয়ার অবকাঠামো ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিমাণের সব দাবিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজের একটি বড় গুদামে আগুন লাগার ঘটনাও রুশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলার সক্ষমতা বাড়ানো ইউক্রেনের যুদ্ধকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে পশ্চিমা সামরিক সহায়তার ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ায় হামলায় ব্রিটিশ ড্রোন ব্যবহার করল ইউক্রেন

প্রকাশের সময়ঃ ০৯:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে দূরপাল্লার হামলায় প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। ব্রিটিশ দুই প্রতিষ্ঠানের তৈরি এসব ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার বিভিন্ন শিল্প ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলার জন্য এসব ড্রোন ব্যবহার করছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে তেল শোধনাগার, সরবরাহ ও লজিস্টিক অবকাঠামো এবং রাশিয়ার বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামও রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস জানিয়েছে, ব্রিটিশ নির্মিত ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এসব ড্রোনের মধ্যে বিএই সিস্টেমসের তৈরি একটি মডেলের নামও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দূরপাল্লার এসব ড্রোন তুলনামূলক কম খরচে বড় পরিসরে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়ায় ইউক্রেনের হামলা সক্ষমতায় এর প্রভাব পড়ছে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

এদিকে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেড়েছে। তেল শোধনাগার ও শিল্প স্থাপনার পাশাপাশি ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামও একাধিকবার হামলার লক্ষ্য হয়েছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে এসব হামলার সময় বিপুলসংখ্যক ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে।

চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে এর আগে যুক্তরাজ্যের তৈরি স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্রও ইউক্রেন ব্যবহার করেছে। তবে ব্রিটিশ নির্মিত ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে গভীর হামলার বিষয়টি দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করছে।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউক্রেনের ড্রোন অভিযানে রাশিয়ার অবকাঠামো ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট পরিমাণের সব দাবিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাম্প্রতিক হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজের একটি বড় গুদামে আগুন লাগার ঘটনাও রুশ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার ভূখণ্ডের গভীরে হামলার সক্ষমতা বাড়ানো ইউক্রেনের যুদ্ধকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে পশ্চিমা সামরিক সহায়তার ভূমিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি করতে পারে।