ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
স্বপ্ন থামবে কি টাকার অভাবে? চা বিক্রেতার মেধাবী মেয়ে মাহমুদার মেডিকেল পড়া অনিশ্চয়তায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন গৌরনদীতে বাস-ভ্যান সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত পবা ও মোহনপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এমপি মিলন রাজশাহীতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির সূচনা জমি বিরোধের জেরে গৌরনদীতে যুবককে রড দিয়ে জখম ২০ বছরে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ কারবার করে কোটিপতি হয়েছে হাজারও ব্যক্তি – ভূমিমন্ত্রী ময়মনসিংহে ডিবি পুলিশ ও র‍্যাবের পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ দ্রব্যসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার দ্রুত চালুর সুপারিশ করবে বিআইডব্লিউটিএ – সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর পরিদর্শনে যুগ্ম সচিব স্থায়ী নিয়োগ ও আউটসোর্সিং বন্ধের দাবিতে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশ

গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে নতুন গতি, সরেজমিনে অগ্রগতি দেখলেন জেলা প্রশাসক

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট নিরসনে চলমান খাল পুনঃখনন প্রকল্পে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রকল্পটির অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

শুক্রবার (১২ জুন) তিনি ৬ নম্বর বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরীয়া বিল হয়ে ধলিয়া বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখনন কার্যক্রম এবং টিআর প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে প্রকল্পটির আওতায় মোট ১ দশমিক ৯৩৬ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৭০০ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৭ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বছরের পর বছর খালটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়েছিল। বর্ষায় জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট ছিল নিত্যদিনের সমস্যা। পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্যও উন্নত হবে বলে তারা আশা করছেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, খাল-বিল ও জলাশয় পুনরুদ্ধার শুধু পানি নিষ্কাশনের জন্য নয়, এটি কৃষি ও পরিবেশ রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্থানীয় জনগণকে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তার মতে, জলাশয় পুনরুদ্ধার এবং বৃক্ষরোপণ একসঙ্গে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এমন উদ্যোগ অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষি, পরিবেশ এবং জনজীবনের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্ন থামবে কি টাকার অভাবে? চা বিক্রেতার মেধাবী মেয়ে মাহমুদার মেডিকেল পড়া অনিশ্চয়তায়

গৌরীপুরে খাল পুনঃখনন প্রকল্পে নতুন গতি, সরেজমিনে অগ্রগতি দেখলেন জেলা প্রশাসক

প্রকাশের সময়ঃ ০৮:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সেচ সংকট নিরসনে চলমান খাল পুনঃখনন প্রকল্পে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রকল্পটির অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

শুক্রবার (১২ জুন) তিনি ৬ নম্বর বোকাইনগর ইউনিয়নের মইজগা বিল থেকে চাকুরীয়া বিল হয়ে ধলিয়া বিল পর্যন্ত খাল পুনঃখনন কার্যক্রম এবং টিআর প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে প্রকল্পটির আওতায় মোট ১ দশমিক ৯৩৬ কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ১ দশমিক ৭০০ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৮৭ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বছরের পর বছর খালটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়েছিল। বর্ষায় জলাবদ্ধতা আর শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট ছিল নিত্যদিনের সমস্যা। পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্যও উন্নত হবে বলে তারা আশা করছেন।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, খাল-বিল ও জলাশয় পুনরুদ্ধার শুধু পানি নিষ্কাশনের জন্য নয়, এটি কৃষি ও পরিবেশ রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্থানীয় জনগণকে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।

তার মতে, জলাশয় পুনরুদ্ধার এবং বৃক্ষরোপণ একসঙ্গে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এমন উদ্যোগ অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষি, পরিবেশ এবং জনজীবনের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।