
ভৈরবের মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মাসুদ মিয়া (৪৫) হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির মিয়াকে (৩২) আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে জেলার কুলিয়ারচর থানার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব ক্যাম্প থেকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, নিহত মাসুদ মিয়া জেলার বাজিতপুর থানার মাইজচর শ্যামপুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়া মূল অভিযুক্ত সাব্বির মিয়া ও তার সহযোগীদের সঙ্গে নিহত মাসুদের দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল।
বিরোধ মীমাংসার কথা বলে গত ১৯ জুলাই বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্তরা মাসুদ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী মোছা. হাছনারা বেগমের সামনে থেকেই তাকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মাসুদ মিয়া। নিখোঁজের ঘটনায় তার স্ত্রী হাছনারা বেগম বাজিতপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পরবর্তীতে থানা পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অনুসন্ধানের একপর্যায়ে ভৈরবের মেঘনা নদীর পলতাকান্দা হাজী আসমত আলী বেপারী বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ভাসমান অবস্থায় বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব নৌ-থানা পুলিশ, যা পরবর্তীতে মাসুদ মিয়ার বলে শনাক্ত করা হয়।
এ ঘটনায় গত ৮ জুলাই নিহতের স্ত্রী মোছা. হাছনারা বেগম বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নম্বর ১১ এবং যা পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।
মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির মিয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে র্যাব-১৪ এর গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে র্যাব-১৪, সিপিসি-২, ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মো. বদরুদ্দোজা বলেন, আটক অভিযুক্ত সাব্বিরকে শুক্রবার সকালে ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মামলায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ 






















