
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে স্বৈরাচারী শাসনের প্রভাব থেকে মুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, দেরিতে হলেও জাতির ওপর থেকে একটি বড় প্রভাব দূর হলো।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর শুক্রবার রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি কী কারণে পদত্যাগ করেছেন সে বিষয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই, কারণ তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন বলে তারা আগে থেকেই মনে করে আসছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করে আসছিল জামায়াত। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় জামায়াত জোট ওয়াকআউট করেছিল বলেও জানা যায়।
সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেননি। জুলাইয়ের সহিংস ঘটনাপ্রবাহের বিরুদ্ধে তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি বলে অভিযোগ করেন তিনি এবং নীরব থেকে সবকিছুতে সমর্থন দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন।
নতুন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি প্রত্যাশা প্রকাশ করেন, নতুন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নিরপেক্ষভাবে পদের মর্যাদা রক্ষা করে চলবেন এবং তা করলে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে এনসিপি সাহাবুদ্দিনকে নিরাপদ প্রস্থানের সুযোগ দেওয়ার বিরোধিতা করে তার গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে, যদিও জামায়াত সমালোচনা করলেও এ ধরনের দাবি তোলেনি। সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতির বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে জামায়াত আমির মন্তব্য করেন, সব ধরনের চিকিৎসাই দেশে সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
দৈনিক অধিকার ডেস্কঃ 






















