ঢাকা ১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]
শিরোনামঃ
মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেলের মিরপুর-১১ স্টেশন গার্মেন্টস শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩৩ নগরকান্দায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক ধসে মরণফাঁদ, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল ইরানযুদ্ধের প্রভাবে চাপে মার্কিন নৌবহর, মেরামতে লাগবে কয়েক বছর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক উত্তেজনা বাড়ালে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রাশিয়ার হুঁশিয়ারি ২০২৭ বিশ্বকাপের টিকিটের আবেদন ১২ কোটি ছাড়াল, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সর্বোচ্চ আগ্রহ গাজায় তথ্য বিকৃতির কথা স্বীকার করলেন ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সাবেক মুখপাত্র ঢাকার আগারগাঁও থেকে গ্রেপ্তার সাবেক হুইপ নজরুল ইসলাম বাবুর এপিএস জামিনে মুক্ত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল জামায়াত শ্রীনগরে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সিএনজিচালক, গাড়ি জব্দ

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি, অনেকেই অপহরণ-নির্যাতনের শিকার

  • অধিকার ডেস্কঃ
  • প্রকাশের সময়ঃ ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২৫৪ Time View

লিবিয়া থেকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন ১৭২ বাংলাদেশি।

ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭২ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়ার মিসরাতা থেকে ছেড়ে আসা বিশেষ ফ্লাইটটি (ইউজেড-২২২) বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানো।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দুর্ভোগের বিবরণ বিপজ্জনক পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা থেকে অন্যদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।

প্রত্যাবাসিতদের পুনর্বাসনে সহায়তা

দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়েছে আইওএম। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ায় আটকেপড়া বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে আটককেন্দ্রে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম লিবিয়া থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেলের মিরপুর-১১ স্টেশন

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭২ বাংলাদেশি, অনেকেই অপহরণ-নির্যাতনের শিকার

প্রকাশের সময়ঃ ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ইউরোপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় গিয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭২ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকায় পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লিবিয়ার মিসরাতা থেকে ছেড়ে আসা বিশেষ ফ্লাইটটি (ইউজেড-২২২) বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৫১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে সহযোগিতা করে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

বিমানবন্দরে দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং আইওএমের কর্মকর্তারা।

মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় লিবিয়ায় প্রবেশ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশে ফেরা অধিকাংশ বাংলাদেশি মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহায়তায় লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে পৌঁছানো।

লিবিয়ায় অবস্থানকালে তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মানবপাচার ও অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশে ফেরা ব্যক্তিদের নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, তাঁদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দুর্ভোগের বিবরণ বিপজ্জনক পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা থেকে অন্যদের নিরুৎসাহিত করতে পারে।

প্রত্যাবাসিতদের পুনর্বাসনে সহায়তা

দেশে ফেরা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে যাতায়াত খরচ, খাদ্যসামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়েছে আইওএম। প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

লিবিয়ায় আটকেপড়া বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে আটককেন্দ্রে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখোমুখি ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আইওএম লিবিয়া থেকে বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার বিভিন্ন আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।